সিএমএসএমই খাতে পুনঃঅর্থায়ন

সিএমএসএমই খাতে পুনঃঅর্থায়ন

চলতি মূলধনে ১২ মাসের বেশি মেয়াদি ঋণ নয়

বাংলাদেশ ব্যাংকের ২৫ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিম থেকে সিএমএসএমই খাতে চলতি মূলধন ঋণের সর্বোচ্চ মেয়াদ হবে এক বছর। যদিও অনেক ব্যাংক ১২ মাসের বেশি মেয়াদ নির্ধারণ করে এ ঋণ দিচ্ছে। এ বিষয়ে ব্যাংকগুলোকে সতর্ক করে সার্কুলার জারি করা হয়েছে। অবশ্য চলতি মূলধন ঋণের মেয়াদ শেষে নবায়ন করা যাবে। গতকাল এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা ব্যাংকগুলোতে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কটেজ, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) খাতে কম সুদে ঋণ বিতরণের জন্য গত ১৯ জুলাই ২৫ হাজার কোটি টাকার একটি পুনঃঅর্থায়ন স্কিম গঠন করে বাংলাদেশ ব্যাংক। শুরুতে তহবিল থেকে শুধু মেয়াদি ঋণ বিতরণের কথা বলা হয়। পরবর্তী সময়ে নভেম্বর মাসে অপর এক সার্কুলারের মাধ্যমে চলতি মূলধন হিসেবে বিতরণের সুযোগ দেওয়া হয়। একটি ব্যাংক এ তহবিলের আওতায় বিতরণ করা মোট ঋণের সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ চলতি মূলধন খাতে নিতে পারে। সব মিলিয়ে উৎপাদন ও সেবা খাতে দিতে হবে অন্তত ৬৫ শতাংশ। সর্বোচ্চ ৩৫ শতাংশ দেওয়া যাবে ব্যবসা খাতে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন তহবিল থেকে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো মাত্র ২ শতাংশ সুদে অর্থ পাচ্ছে। আর ব্যাংক গ্রাহক পর্যায়ে সুদ নিতে পারে সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ। এতে করে পুনঃঅর্থায়নের ঋণে ব্যাংকগুলোর স্প্রেড থাকে ৫ শতাংশ। সাধারণভাবে যেখানে একটি ব্যাংক সর্বোচ্চ ৪ শতাংশ স্প্রেড নিতে পারে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারে বলা হয়েছে, অনেক ব্যাংক ১২ মাসের বেশি মেয়াদে চলতি মূলধন ঋণ বিতরণ করছে। চলতি মূলধন ঋণের মূল বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে যা সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। পুনঃঅর্থায়ন তহবিল থেকে চলতি মূলধন ঋণের সর্বোচ্চ মেয়াদ হবে ১২ মাস। তবে প্রয়োজনে এ ধরনের ঋণ নবায়ন করা যাবে। এর বিপরীতে পুনঃঅর্থায়নের জন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ফের আবেদন করতে পারবে। চলতি মূলধন ঋণের মেয়াদ শেষে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক সুদ ও আসল এককালীন আদায় করবে।

Leave a Reply