ফেব্রুয়ারিতে ওপেকভুক্ত দেশগুলোয় জ্বালানি তেল উত্তোলন বেড়েছে

ফেব্রুয়ারিতে ওপেকভুক্ত দেশগুলোয় জ্বালানি তেল উত্তোলন বেড়েছে

ফেব্রুয়ারিতে ওপেকভুক্ত দেশগুলোয় জ্বালানি তেল উত্তোলন জানুয়ারির তুলনায় দৈনিক দেড় লাখ ব্যারেল করে বেড়েছে। জোটের সদস্য দেশ নাইজেরিয়ার সরবরাহ ঘুরে দাঁড়ানোয় ইতিবাচক দিকে মোড় নিয়েছে উত্তোলন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক সমীক্ষায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

ওপেকের মিত্র জোট ওপেক প্লাস জ্বালানি তেলের বৈশ্বিক বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে গত বছরের শেষ দিকে উত্তোলন কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয়। সে লক্ষ্যমাত্রা মেনেই সদস্য দেশগুলো উত্তোলন কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

ফেব্রুয়ারিতে ওপেকের মোট দৈনিক উত্তোলনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৮৯ লাখ ৭০ হাজার ব্যারেলে। যদিও গত বছরের সেপ্টেম্বরের তুলনায় উত্তোলন এখনো দৈনিক সাত লাখ ব্যারেল কম।

নাইজেরিয়া লম্বা সময় ধরেই জ্বালানি নিরাপত্তা ও প্রধান উত্তোলন অঞ্চলগুলোয় চুরি ঠেকাতে লড়াই করে যাচ্ছে। নানা পদক্ষেপের সুফল মিলেছে গত মাসে। এ সময় দেশটি আগের মাসের তুলনায় বাড়তি জ্বালানি তেল রফতানি করেছে। যদি আফ্রিকার শীর্ষ উত্তোলক দেশটি গত মাসেও ওপেকের বেঁধে দেয়া উত্তোলন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারেনি।

নভেল করোনাভাইরাস মহামারীর প্রকোপ শিথিল হওয়ায় গত বছরের বেশির ভাগ সময়জুড়ে উত্তোলন বাড়ায় ওপেক প্লাস। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম পড়ে যাওয়ায় জোটভুক্ত উত্তোলকরা লোকসানের মুখে পড়েন। এতে নভেম্বরে উত্তোলন কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ২০২০ সালের পর প্রথম এত বড় পরিসরে উত্তোলন কমানোর পথে হাঁটতে শুরু করে জোটটি।

Leave a Reply